প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 12, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jun 17, 2026 ইং
বিশ্বকাপে নরওয়ের উড়ন্ত সূচনা, জোড়া গোল হালান্ডের

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দাপট দেখিয়ে আসা নরওয়ে মূল মঞ্চেও সেই ছন্দ ধরে রাখল। ১৯৯৮ সালের পর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপে ফিরে তারা শুরুটা করল দারুণ এক জয়ে ইরাককে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের দলটি। অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথমার্ধে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়ে নরওয়ে। তবে ২৯ মিনিটে গোলের খাতা খোলেন হালান্ড, স্লাইড করে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। সেই লিড অবশ্য বেশি সময় স্থায়ী হয়নি। ১০ মিনিটের ব্যবধানে সমতায় ফেরে ইরাক দারুণ এক হেডে গোল করেন আয়মেন হুসেইন।
প্রথমার্ধের উত্তেজনা তখন চরমে। বিরতির ঠিক দুই মিনিট আগে আবারও সামনে চলে যায় নরওয়ে। হালান্ডের দ্বিতীয় গোলের মধ্য দিয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় তারা। এর মধ্যে দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধের স্কোরলাইনে আর পরিবর্তন আসেনি।
বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ইরাক। আক্রমণে গতি বাড়ালেও নরওয়ের রক্ষণভাগ ছিল বেশ সংগঠিত। এ সময় বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করে তারা। একবার হেড পোস্টের বাইরে যায়, আরেকটি শট বার ছুঁয়ে চলে যায় মাঠের বাইরে।
ম্যাচের ৭৬ মিনিটে এসে নরওয়ের জয় আরও নিশ্চিত হয়ে যায়। অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের নিখুঁত কর্নার থেকে জোরালো হেডে গোল করেন লিও অস্টিগার্ড। এই গোলের পর ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় ইরাক।
শেষ দিকে হ্যাটট্রিকের দারুণ সুযোগ পান হালান্ড, তবে কাছ থেকে নেয়া শট দারুণভাবে রুখে দেন ইরাকের গোলরক্ষক জালাল হাসান। যদিও ইনজুরি টাইমে আর রক্ষা হয়নি। একটি কর্নার পরিস্থিতি থেকে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই জড়িয়ে বসে ইরাক যা নরওয়ের চতুর্থ গোল হিসেবে নথিভুক্ত হয়।
শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গে ৪-১ ব্যবধানে বড় জয় নিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল নরওয়ে। দীর্ঘদিন পর বিশ্বমঞ্চে ফিরে এমন জয় তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিল, আর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এল হালান্ড-নির্ভর নরওয়েকে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ নগবি24