সাধারণ রেস্তোরাঁ ও ক্ষুদ্র দোকান থেকেও নেয়া হবে কর: অর্থমন্ত্রী
নগরি২৪
নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 21, 2026 ইং
সাধারণ হোটেল, রেস্তোরাঁ আর ক্ষুদ্র দোকানও করের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এসব দোকানদারদের করের আওতায় আনতে এবং কর কর্মকর্তাদের হয়রানি থেকে বাঁচাতে বছরে একটি সহজ ‘ফ্ল্যাট রেট’ চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি হোটেলে ‘সংকটকালের বাজেট ও জনপ্রত্যাশা’ শিরোনোমে গোলটেবিল আলোচনায় মন্ত্রী এ কথা বলেন বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরেছে।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কর সংক্রান্ত পরিবর্তন নিয়ে গত ১৫ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অর্থমন্ত্রী ও এনবিআরের আট ঘণ্টার বৈঠক হয় সচিবালয়ে। সেখানে মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) ক্ষেত্রে ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ চালুর সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বলে বৈঠকে উপস্থিত একাধিক কর্মকর্তা এ কথা জানিয়েছেন।
উপজেলা পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের ভ্যাটের আওতায় আনতে ‘প্যাকেজ ভ্যাট’ চালুর এ প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে এনবিআর, যা আগামী অর্থবছরের বাজেট রাখার পরিকল্পনা তাদের। ভ্যাটের এ নিয়মে প্রতি মাসে ‘সামান্য পরিমাণ’ ভ্যাট দিতে হবে বলে বৈঠকে অংশ নেওয়া এক কর্মকর্তা বলেন।
সেই কর্মকর্তা আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কথা হল, একদম গরিব থেকে সবাই দেশটাকে ভালোবাসে, তারাই কর দেয়। তো বছরে ৫ কিংবা ৫০০ টাকা দিক, দিয়ে সে ওনারশিপটা (রাষ্ট্রের) নিক।
মাসিক ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকার মত এ ভ্যাট হতে পারে বলে ওই কর্মকর্তা ইঙ্গিত দেন। ‘সংকটকালের বাজেট ও জনপ্রত্যাশা’ নামে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে সেদিকেই ইঙ্গিত দিলেন অর্থমন্ত্রী।
একইসঙ্গে তিনি কর ফাঁকি রোধে কোকাকোলা, পেপসি বা বহুজাতিক ও বড় তামাক কোম্পানিগুলোর প্রকৃত মার্কেট শেয়ার যাচাই করে ‘ন্যায্য ট্যাক্স’ আদায় করা হবে বলে তুলে ধরেন।
এছাড়া ‘কর নীতি প্রণয়নে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে’ দাবি করে মন্ত্রী বলেন, এ লক্ষ্যে একটি বিল পাস করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে কেবল কর আদায়কারী নয়, বরং গ্লোবাল অর্থনীতি, স্থানীয় বাণিজ্য এবং ‘হিউম্যান প্রফিটিবিলিটি’ বোঝেন এমন যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নীতি নির্ধারণী বডি গঠন করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :