• ঢাকা
  • | বঙ্গাব্দ
Alifhostbd

ইরাকে আকাশছোঁয়া পশুর দাম; কোরবানি নিয়ে দুশ্চিন্তায় সাধারণ মানুষ


FavIcon
নগরি২৪
নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 25, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: Alifhostbd

ইরাকে কোরবানির পশুর দাম আকাশছোঁয়া। এবার ঈদে কোরবানি দেয়া অনেক পরিবারের পক্ষেই সম্ভব হয়ে উঠছে না। শুধু পশু নয়, নিত্যপণ্যের দামও নাগালের বাইরে চলে গেছে ইরাকিদের। পশুখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে খরচ বেড়েছে পশু লালন পালনেও। মাংস ও গবাদিপশুর জন্য তাদের নির্ভর করতে হয় আমদানির ওপর।

ঈদুল আজহার উপলক্ষে একটু কম দামে কোরবানির পশু খুঁজতে নাজেহাল অবস্থায় পড়ছেন ইরাকি ক্রেতারা। ইরাকি বাজারে সাধারণত স্থানীয় ভেড়া ও দুম্বার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। একটি মাঝারি আকারের ভেড়ার দাম ৫ থেকে সাত লাখ ইরাকি দিনার। বড় আকারের গরু বা মহিষের দাম কয়েক মিলিয়ন দিনার ছাড়িয়ে গেছে।

ইরাকি ক্রেতাদের একজন বলেন, ‘যেই ভেড়া আগে ২ লাখ ইরাকি দিনারে কেনা যেতো এখন সেটির দাম ৬ লাখ দিনার। ৪ লাখ দিনার নিয়ে এসে হাটে ঘুরছি।’

স্থানীয় বাজারের তথ্য অনুযায়ী, পশুখাদ্যের উচ্চমূল্য , আমদানি করা পশুর স্বল্পতা এবং পর্যাপ্ত সরকারি পশুখাদ্য সরবরাহ না থাকায় এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। খামারিরা বলছেন, পশুখাদ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় পশু লালন-পালনের খরচ বেড়েছে অনেকগুণ।

খামারিদের একজন বলেন, ‘পশুখাদ্যের দাম বাড়ায় কোরবানি পশুর দাম এবার বাড়তি। এছাড়া, পশুখাদ্যের সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে।’

এদিকে, দীর্ঘস্থায়ী খরা ও পানির সংকটে কমছে চারণভূমি। যা সংকটে ফেলেছে পশু লালন-পালনেও। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে পশু আমদানি কমে যাওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

আকাশছোঁয়া দামের কারণে অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার এককভাবে কোরবানি দিতে পারছে না । ভাগে কোরবানি দেয়া এবং ছোট পশু কেনার দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। ইরাকের বিভিন্ন শহর যেমন বাগদাদ, বসরা এবং নাজাফের কোরবানির হাটগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও বাজারের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে।

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ